
২০২৭ সালের হজকে সামনে রেখে ৭৮টি দেশের হজবিষয়ক অফিসের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে প্রস্তুতি বৈঠক করেছে সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয়। হজযাত্রীরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর আগেই বিভিন্ন প্রস্তুতি, পরিচালন পরিকল্পনা ও সেবার বিষয়গুলো সমন্বয় করতে এসব বৈঠক করা হয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, বৈঠকগুলোতে হজ প্রস্তুতির বিভিন্ন ধাপের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় অনুমোদিত সময়সূচি বাস্তবায়ন, হজ প্যাকেজের প্রক্রিয়া এবং অনুমোদিত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
হজযাত্রীদের আবাসন, পরিবহন ও খাবার সরবরাহের পাশাপাশি ভিড় ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ ছাড়া হজযাত্রীদের সচেতনতা বাড়ানো এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়। হজ পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিভিন্ন নিয়মকানুনও বৈঠকে তুলে ধরা হয়।
সৌদি হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক অফিসগুলোর প্রস্তুতির অগ্রগতি ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রস্তুতি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তা আগেভাগে শনাক্ত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তুতির প্রতিটি ধাপের জন্য দায়িত্ব ও সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের হজের প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হয় গত মে মাসে। ওই সময় বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক অফিসে প্রস্তুতিসংক্রান্ত নথি ও পরিচালন সূচি পাঠানো হয়। পাশাপাশি আগের হজ মৌসুমের কার্যক্রমও ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, আগাম ও সমন্বিত পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হজযাত্রীদের জন্য আরও সুশৃঙ্খল, নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হজের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। সৌদি ভিশন ২০৩০-এর আওতায় পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেও এসব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এসপিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হজের বিভিন্ন কার্যক্রম আগেভাগে সমন্বয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর হজবিষয়ক অফিস, সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা হচ্ছে।



